এ. এস. এম. হামিদ হাসান
কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
গ্লোবাল ফোরাম অব কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে আজ সকাল দশটায় কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও বৃত্তি প্রদান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আবুল হাশেম বুলবুলের পরিচালনায় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (আইআইআইটি)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. এম আব্দুল আজিজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্যের লন্ডন দারুস সালাম একাডেমির প্রধান শিক্ষক ও দারুস সালাম মসজিদের সম্মানিত খতিব হাফেজ মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. জিয়াউর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্লোবাল ফোরাম অব কিশোরগঞ্জের সহ-সভাপতি ও ইউনাইটেড কেয়ার গ্রুপের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডক্টর মাসুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গ্লোবাল ফোরাম অব কিশোরগঞ্জের কো-অর্ডিনেটর জোনায়েদ সাকি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক আহসানুল হক জুয়েল, ইউনাইটেড কেয়ার স্কুল অ্যান্ড হোমসের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ডালিম মাহমুদ অয়ন এবং মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মোট ১৩ জন কৃতি ছাত্র-ছাত্রীকে নগদ অর্থ, বই এবং ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয়। অতিথিদের হাত থেকে এই উপহার ও সম্মাননা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।
বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীরা হলো:
মৌরিন জাহান অতিথি ও প্রকৃতি দেবনাথ (অষ্টম শ্রেণি, মহেশ চন্দ্র সরকারি মডেল শিক্ষা নিকেতন, ইটনা); ফারহান সাদিক (ষষ্ঠ শ্রেণি) ও শাহরিয়ার আব্দুল্লাহ আকন্দ (দশম শ্রেণি, আজিমউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ); নাঈমুল ইসলাম সাদ ও মো. সাদিব ইসলাম (অষ্টম শ্রেণি), মাহমুদুল হাসান রোহান (সপ্তম শ্রেণি), ইরফান সাদিক ও সাদমান হক আফরিদ (ষষ্ঠ শ্রেণি, কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়); মোহাম্মদ খালেদ সাইফুল্লাহ (অষ্টম শ্রেণি, উমেদ আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়, তাড়াইল); আলিমুল ইসলাম তানজিল ও স্মৃতি মনি (অষ্টম শ্রেণি, নান্দলা আসম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ সদর) এবং পরশ মনি (দশম শ্রেণি, কিশোরগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়)।
এসময় বক্তারা বলেন- তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করতে গ্লোবাল ফোরাম অব কিশোরগঞ্জের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। একটি মেধাভিত্তিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে প্রবাসীদের ও স্থানীয় গুণীজনদের এমন যৌথ প্রয়াস তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়। বৃত্তি এবং সম্মাননা শুধু শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তাই করে না, বরং তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আশা করা যায়, এই কৃতি শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা তথা পুরো বাংলাদেশের কল্যাণে অবদান রাখবে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এমন ইতিবাচক আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।