সুযোগ পেয়ে সেটির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করলেন ম্যাথেউস কুনহা। একাদশে সুযোগ পেয়েই জোড়া গোল করে ব্রাজিলকে বড় জয়ের পথে এগিয়ে দেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ফরোয়ার্ড। আর তার দুই গোলেই অ্যাসিস্ট করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, পরে নিজেও গোল করে দলকে বড় জয় এনে দেন।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘সি’-এর ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের প্রথমার্ধেই তিন গোল করে জয় নিশ্চিত করে ফেলে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। ১২ মিনিটে রাফিনিয়া বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। ২২ মিনিটে আরও একটি ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড, কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও সফল হতে পারেননি।
তবে ২৩ মিনিটে আর ভুল করেনি সেলেসাওরা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন ম্যাথেউস কুনহা। এটি ছিল বিশ্বকাপে কুনহার অভিষেক গোল।
এরপর ৩৬ মিনিটে আবারও দেখা যায় ভিনিসিয়ুস-কুনহা জুটির দুর্দান্ত সমন্বয়। মাঝমাঠ থেকে ভিনিসিয়ুসের বাড়ানো চমৎকার পাস ধরে বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনহা।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে এবার গোলের খাতায় নাম লেখান ভিনিসিয়ুস নিজেই। লুকাস পাকেতার পাস থেকে গোল করে ব্রাজিলের ব্যবধান ৩-০ করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা উইঙ্গার।
তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে কিছুটা দুশ্চিন্তার খবরও পায় ব্রাজিল। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন রাফিনিয়া। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন রায়ান।
বিরতির পরও বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। তবে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেও আর কোনো গোল করতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে হাইতিও কয়েকটি আক্রমণ শানালেও ব্রাজিলের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি।
ম্যাচের পরিসংখ্যান বলছে, ম্যাচে ৫৭ শতাংশ বলের দখল ছিল ব্রাজিলের। তারা মোট ৮টি শট নিয়ে ৫টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে হাইতি ৭টি শটের মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে রাখে। পাসিংয়েও এগিয়ে ছিল ব্রাজিল, ৫২১টি পাসের সঙ্গে তাদের পাস সফলতার হার ছিল ৮৯ শতাংশ।
শেষ পর্যন্ত কুনহার জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুসের এক গোলে ৩-০ ব্যবধানের দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।