• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

৪৯৫ উপজেলায় গণপূর্তের অফিস স্থাপনের প্রস্তাব, ব্যয় ও কাঠামো নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

প্রতিবেদক / ৪০ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের অফিস স্থাপনের অনুমতি চেয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় দেড় হাজার জনবল নিয়োগসহ বড় অংকের ব্যয়ভার সরকারের ওপর পড়বে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত ১৩ এপ্রিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব বরাবর এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ৪৯৫ উপজেলায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও সহায়ক কর্মচারী পদায়নের প্রয়োজন রয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তর জেলা ও বিভাগীয় কাঠামোর মাধ্যমে সরকারি ভবন নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজ পরিচালনা করছে। তবে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা পর্যায়ে সরাসরি তদারকির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলে দাবি করা হয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, উপজেলা পর্যায়ে প্রকৌশলী, অফিস সহকারী, প্লাম্বার, ইলেকট্রিশিয়ানসহ বিভিন্ন পদে মোট ১ হাজার ৪৭৫টি পদ প্রয়োজন হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন পদ সৃষ্টি না করে বিদ্যমান জনবল পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, উপজেলা পর্যায়ে একই ধরনের কাজ ইতোমধ্যেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে আসছে। ফলে নতুন করে পৃথক কাঠামো গঠন করলে সরকারি ব্যয় বাড়বে এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তাদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু জনবল নিয়োগই নয়, ৪৯৫টি নতুন অফিস স্থাপন ও পরিচালনায় সরকারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে।
অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাঠ পর্যায়ে কাজের পরিধি বাড়লেও জনবল কাঠামো সেই অনুপাতে বৃদ্ধি পায়নি। ফলে উপজেলা পর্যায়ে পৃথক সেটআপ হলে কাজের গুণগত মান ও তদারকি আরও কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) সারোয়ার আলম বলেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি জনপ্রশাসন, অর্থ বিভাগ ও প্রশাসনিক উন্নয়ন কমিটির অনুমোদনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও জানান, উপজেলা পর্যায়ে সরকারি নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজের পরিমাণ বাড়লেও প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে সময় ও নীতিগত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হবে।
এদিকে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামকে এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা