নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বিজিবি জানিয়েছে, বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) কোনো ঘটনা নতুন সরকারের সময় ঘটেনি।
বিজিবির উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ বলেন, সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেলেও তা সফল হতে দেওয়া হয়নি। তার ভাষায়, বিভিন্ন মাধ্যমে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তার অনেকটাই বিভ্রান্তিকর ও গুজবনির্ভর।
তিনি আরও জানান, সীমান্তজুড়ে ২৪ ঘণ্টা কঠোর নজরদারি চলছে এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
তার ভাষায়, “কোনোভাবেই আমরা পুশইন করতে দেব না। বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও সীমান্ত পাহারায় যুক্ত আছেন।”
অন্যদিকে ভারতের রাজনৈতিক মহলে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কয়েক হাজার মানুষকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে বিজিবি এ ধরনের দাবির কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে।
বিজিবি কর্মকর্তা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসী প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট যাচাই-বাছাই ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। কোনো অবস্থাতেই সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকা ভারতীয় পক্ষ থেকে সরবরাহ করা হয়েছে—এমন কোনো তথ্যও বিজিবির কাছে নেই। বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত বলেও জানান তিনি।