• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

এতিমদের প্রাপ্য নিশ্চিত করতে চামড়া সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সোচ্চার সোহানী শিফা

প্রতিবেদক / ১৩ বার
আপডেট : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ, সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা ও বাজারে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন সম্ভাব্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র প্রার্থী সোহানী শিফা। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চামড়া খাত নিয়ন্ত্রণ করায় এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

সাক্ষাৎকারে অতীতে আমিনবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়া অব্যবস্থাপনার কারণে ফেলে রাখার ঘটনা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সোহানী শিফা বলেন, ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এবারও একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হতে পারে।

তিনি দাবি করেন, সিলেট অঞ্চলের অনেক মাদ্রাসা ইতোমধ্যে চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে দেশের চামড়া শিল্প ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সোহানী শিফা বলেন, সরকার এখনো এমন কার্যকর মূল্য নির্ধারণ করতে পারেনি, যা চামড়া সংগ্রহে জড়িত এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের শ্রম এবং বাস্তব ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, “আপনি বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করবেন, আর একটি চামড়ার দাম দিবেন মাত্র ৫০ টাকা—এটা কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।”

তিনি আরও বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া থেকে অর্জিত আয় মূলত এতিমদের হক। অথচ ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে চামড়া ফেলে দেওয়ার মতো দুঃখজনক ঘটনা ঘটছে।
চামড়া খাতকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রভাবশালী মহলের একটি অংশ এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকায় প্রকৃত সংগ্রাহক ও এতিমখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, চামড়া শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশে কোরবানির মৌসুম ঘিরে প্রতি বছর হাজার কোটি টাকার চামড়া বাণিজ্য হলেও মাঠপর্যায়ের সংগ্রাহকরা কাঙ্ক্ষিত মূল্য থেকে বঞ্চিত হন। সংরক্ষণ সংকট, মধ্যস্বত্বভোগী এবং বাজার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা