• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

৫ আগস্ট শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা

প্রতিবেদক / ২০ বার
আপডেট : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে রাজধানীসহ সারা দেশে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে সভার কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

কার্যপত্র অনুযায়ী, ৫ আগস্ট সকাল ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা, আলোচনা সভা ও বিভিন্ন স্মরণমূলক কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাকার শাহবাগে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভসহ দেশের সব জেলা পর্যায়ের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। পাশাপাশি স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোতে প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বিশেষ মোনাজাত এবং জাদুঘরগুলোতে বিনা টিকিটে দর্শনার্থী প্রবেশের সুযোগ রাখা হবে।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। দেশের সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশু পরিবার, পুনর্বাসন কেন্দ্র ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।
এ ছাড়া জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশান দিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহর সজ্জিত করা হবে। স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশের পাশাপাশি রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোচনা সভারও আয়োজন করা হবে।

এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য একাধিক কেন্দ্রীয় ও উপকমিটি গঠন করেছে সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা