• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারী-শিশু নির্যাতন : হাইকোর্টে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স শুনানির দৃষ্টান্ত পুলিশের পোশাকে ফের পরিবর্তন, নতুন রঙ ও নকশা নির্ধারণ চুক্তি ভঙ্গ করলে কঠোর জবাব পাবে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান চাঁদপুরে সাহিত্য সম্মেলনে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৫ লেখক টেকনাফ হ্নীলার নাটমুড়া পাড়ার আইয়ুব ১৭ হাজার ৭২৫ পিস ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে আটক পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৮০০ কেজি চিনি ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ সরকারি চাকরিজীবীদের বগুড়ার বিতর্কিত দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফিফাতে অভিযোগ জানালো ইরান রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এখন অপ্রাসঙ্গিক: আসিফ মাহমুদ

চুক্তি ভঙ্গ করলে কঠোর জবাব পাবে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

প্রতিবেদক / ২১ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তি ভঙ্গ করলে পূর্বনির্ধারিত কৌশল অনুযায়ী কঠোর জবাব দেবে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এসএনএসসি) শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি দেয়। এর দুই দিন আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভার্চুয়ালি একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন, যার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের অবসান ঘটানো।

বিবৃতিতে এসএনএসসি জানায়, তারা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনির নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো ছাড় দেবে না এবং ইরানি জনগণের অধিকার ও ‘রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর স্বার্থ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে থাকবে। একই সঙ্গে শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভবিষ্যৎ আলোচনাগুলো ইরানের স্বার্থকে কেন্দ্র করেই এগিয়ে নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

সংস্থাটি আরও জানায়, “আমরা বিশ্বাসঘাতক ও চুক্তিভঙ্গকারী শত্রুর ওপর পূর্ণ অবিশ্বাস রেখে আলোচনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবো। যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের লঙ্ঘন করলে পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

১৪ দফার এই চুক্তিতে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই পক্ষের মধ্যে আরও আলোচনার কথা বলা হয়েছে। এতে লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক চলাচল পুনরায় চালুর বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া ইরানের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা, তেল রপ্তানিতে ছাড়, জব্দ সম্পদ ফেরত এবং পরমাণু অস্ত্র না চাওয়ার প্রতিশ্রুতি—এসব বিষয়ও চুক্তিতে রয়েছে। তবে ইউরেনিয়াম মজুদের বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা চলবে।

চুক্তিটি ওয়াশিংটনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কিছু মার্কিন আইনপ্রণেতা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় চাপ তৈরি করলেও এতে ইরান উল্লেখযোগ্য সুবিধা পেয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা