বিবৃতিতে এসএনএসসি জানায়, তারা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনির নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো ছাড় দেবে না এবং ইরানি জনগণের অধিকার ও ‘রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর স্বার্থ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে থাকবে। একই সঙ্গে শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভবিষ্যৎ আলোচনাগুলো ইরানের স্বার্থকে কেন্দ্র করেই এগিয়ে নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
সংস্থাটি আরও জানায়, “আমরা বিশ্বাসঘাতক ও চুক্তিভঙ্গকারী শত্রুর ওপর পূর্ণ অবিশ্বাস রেখে আলোচনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবো। যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের লঙ্ঘন করলে পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এছাড়া ইরানের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা, তেল রপ্তানিতে ছাড়, জব্দ সম্পদ ফেরত এবং পরমাণু অস্ত্র না চাওয়ার প্রতিশ্রুতি—এসব বিষয়ও চুক্তিতে রয়েছে। তবে ইউরেনিয়াম মজুদের বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা চলবে।
চুক্তিটি ওয়াশিংটনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কিছু মার্কিন আইনপ্রণেতা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় চাপ তৈরি করলেও এতে ইরান উল্লেখযোগ্য সুবিধা পেয়েছে।