দিল্লির সংসদ মার্গ ও কনট প্লেস—যেদিকে চোখ যায়, শুধু ভাঙা ব্যারিকেড, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা জুতো, ছেঁড়া জামা, ভাঙা কাঁচ আর রক্তের দাগ। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির পর রাজধানী যেন পরিণত হয়েছে রণক্ষেত্রে।
বিতর্কিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও উত্তরপত্র জালিয়াতির অভিযোগে গত দুই মাস ধরে উত্তাল ভারতের ছাত্রসমাজ। একাধিক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনার পর আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি।
সোমবার সংসদ অভিমুখে মিছিল করলে আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে টিয়ারগ্যাস ও লাঠিচার্জ করে দিল্লি পুলিশ। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীদের একজন বলেন, সরকার জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এলেও এখন শিক্ষার্থীদের সঙ্গেই অপরাধীর মতো আচরণ করছে।
এদিকে আন্দোলন নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশ্লেষকদের মতে, সরকার আন্দোলনের মুখে আপস না করার অবস্থানেই রয়েছে।
সংঘর্ষের পর সিজেপির প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেন। আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, অনশনরত সোনম ওয়াংচুকের মুক্তি এবং প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ।
তবে বৈঠক শেষে সিজেপি নেতারা এটিকে ‘সময়ের অপচয়’ বলে দাবি করেন। তাদের অভিযোগ, সরকার কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দেয়নি।
রাতেই যন্তর মন্তরে সমাবেশ করে সিজেপি নেতৃত্ব ঘোষণা দেয়, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তাদের ভাষায়, এটি কেবল শুরু—সামনে আরও বড় কর্মসূচি আসছে।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : সেলিম রেজা সম্পাদক : মোঃ আব্দুস সাত্তার আব্বাসী অফিস :হাউজ : ৪০-৪২, রোড ২ , ব্লক -ই,সেক্টর -২ আফতাবনগর, ঢাকা । ফোন ০১৬৭৯০৯১৭২৯,০১৭২২২০৮৩২০.০১৭১৬৬৯৯৪৯৩ইমেল : bntnewsinfo@gmail.com