বগুড়া
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে নওগাঁগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক পিলারে সজোরে ধাক্কা দেয়। ওই সময় মহাসড়কের পাশে প্রতিদিনের মতো কাজের সন্ধানে জড়ো হয়ে অপেক্ষা করছিলেন একদল দিনমজুর। বাসটি সরাসরি তাঁদের ওপর উঠে গেলে ঘটনাস্থলেই তিন শ্রমিক মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ১৫ জনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন- বগুড়ার বেলাল হোসেন (৩৭), জয়পুরহাটের তাজমুল (৪৫) এবং গাইবান্ধার আমিরুল ইসলাম (৪৫), নূর আলম (৩৫), ফয়জার রহমান (৪৩) ও আবদুর রহিম (৪৬)।
সিলেট
জানা গেছে, সকালে জেলার ওসমানীনগর উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হয়েছেন। সকাল সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের খাসিকাপন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকা অভিমুখী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেটগামী বেঙ্গল পরিবহনের একটি স্লিপার বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের ৭ যাত্রী নিহত হন। পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর এক শিশুসহ আরও দুজন মারা যান।
এই দুর্ঘটনায় দুটি বাসের অন্তত ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ চালায়। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুটি দুর্ঘটনাস্থল থেকেই দুর্ঘটনাকবলিত বাসগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ।