• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২২ বছর ধরে রেখে দেওয়া ভ্রূণ থেকে সন্তানের জন্ম! প্রেমের টানে ধর্ম পরিবর্তন, বাংলাদেশি তরুণীকে চীনা যুবকের বিয়ে জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্বে এবার পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বেলকুচিতে ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্টে -২০২৬ অনুষ্ঠিত দিনাজপুর বীরগঞ্জে থানা আকস্মিক পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার দিনাজপুর বীরগঞ্জে পৌরসভার মাদক ব্যবসায়ী মাসুদ পারভেজের ৬ মাস কারাদন্ড শেরপুরে আলোকবিন্দু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নয়া কমিটি গঠন করা হয় আমতলীতে ৪০০ ইয়াবা ও ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার, মা-ছেলে গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জ জেলা সার্ভেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ১৯ সদস্যের কমিটি গঠন ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী,রাসিকের কর্মসূচির উদ্বোধন

তুরাগের এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসিতে সাফল্যের উচ্ছ্বাস

মোঃ শাহজালাল সুমন: তুরাগ-ঢাকা: / ২৪ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

ঢাকার তুরাগের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ সালে অনুষ্টিত এসএসসি পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। জিপিএ-৫ (এ+) অর্জন সহ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৭ শতাংশ। ফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানজুড়ে নেমে আসে আনন্দের আবহ। কৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ঢাকডোল পিটিয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। অনেকেই মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মুখে ছিল গর্ব ও আনন্দের ছাপ। এ সাফল্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু তাহের খান এবং অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা ঊষা। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আবু তাহের খান আবুল বলেন,এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বরাবরই ভালো ফলাফল করে আসছে। এ বছর সারাদেশে তুলনামূলকভাবে পাসের হার কম হলেও আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ভালো ফলাফল করেছে। এ অর্জনের পেছনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা রয়েছে। আমি সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা ঊষাবলেন ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজে থেকে এসএসসি পরীক্ষায় ৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে সেখানে জিপিএ ৫ সহ ৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি এবং যাদের রেজাল্ট খারাপ হয়েছে এ এম স্কুল এন্ড কলেজ তাদের পাশে রয়েছে কারণ একটি রেজাল্ট কখনোই একজন শিক্ষার্থীর সারা জীবনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারেনা। আজ যারা খারাপ করেছে এখান থেকে তারা আবার শুরু করবে তাদের ভুলগুলো সংশোধন করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ইশরাক মোরশেদ ইরাম খান বলেন, এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকদের আন্তরিক পরিশ্রম, নিয়মিত পাঠদান এবং সঠিক দিকনির্দেশনার কারণেই আমরা ভালো ফলাফল করতে পেরেছি। এ সাফল্যের জন্য আমরা আমাদের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পেছনে নিয়মিত শ্রেণিপাঠদান, কঠোর অধ্যবসায়, পাঠদান কার্যক্রমের নিবিড় তদারকি এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বিত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস ও বিশেষ তদারকির ব্যবস্থাও করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরাও এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ শিক্ষক ও অধ্যক্ষের যথাযথ দিকনির্দেশনা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মনিটরিং, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টাই এ বছরের প্রশংসনীয় ফলাফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সাফল্য এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা