• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘আদরে আদরে’ দিয়ে সজিব-রিমির নতুন জুটি আবারও আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান জানা গেল ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যুর নাম সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ফের মুখ খুললেন মেঘনা আলম গোপালগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ নারী কারবারি আটক বগুড়ায় বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্ৰেফতার ১ , উদ্ধারকৃত লাশটি নৃত্য শিল্পী নিঝুমের চুয়াডাঙ্গায় ৪৫ সার ডিলারশিপের বিপরীতে ৬৪৩ আবেদন এক সপ্তাহের মধ্যে গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী নড়াইলের লোহাগড়া আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা দিনাজপুর বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ নেশাখোরের ৬ মাস করে কারাদণ্ড

বান্দরবানে খুলে দেওয়া হলো তিন্দু-নাফাখুমসহ ৪ পর্যটন স্পট

প্রতিবেদক / ৫২ বার
আপডেট : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

বান্দরবানের থানচিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন সড়ক ও স্থান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর ফলে দীর্ঘদিন পর বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি পর্যটন এলাকাগুলোতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে পর্যটকদের।

জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে বান্দরবান পার্বত্য জেলার নির্ধারিত কয়েকটি সড়ক ও স্থান সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে—থানচি উপজেলার তমাতুঙ্গী থেকে ২৪ কিলোমিটার তিন্দু পর্যন্ত এবং তিন্দুমুখ থেকে নাফাখুম পর্যন্ত সড়ক ও পর্যটন এলাকা। এ ছাড়া রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত এবং রিজুক ঝরনা এলাকাও। তবে এসব এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

গণবিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সড়ক ও স্থানসমূহে নিরাপত্তাসংক্রান্ত সব ধরনের বিধি-নিষেধ ও নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, জনস্বার্থে থানচি উপজেলার পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সার্বিক বিষয় বিবেচনায় রেখে পর্যটনকেন্দ্রগুলো পরিচালনা করা হবে।

দীর্ঘদিন পর পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়ায় স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী, গাইড, নৌকার মাঝি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে পর্যটকদের আনাগোনায় থানচির পর্যটননির্ভর অর্থনীতিও আরও চাঙা হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা