নওগাঁর ধামইরহাটে মাছ ধরার তৌরা জাল ২০০ টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে মোস্তাকিন (২০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মামলা রুজুর পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সাবলও উদ্ধার করা হয়।
নিহত মোস্তাকিন উপজেলার বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামের মো. বেলাল হোসেনের ছেলে। পুলিশ জানায়, জাল বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে মোস্তাকিন ও তার মাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রতন হোসেন (২২), সাইদুল ইসলাম (২৪), আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু হাসান (১৪), রোকেয়া বেগম (৫৫) ও জাকিয়া বেগম (১৯)কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ধামইরহাট থানার ওসি মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তার সাইদুল ইসলামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সাবল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।