• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২২ বছর ধরে রেখে দেওয়া ভ্রূণ থেকে সন্তানের জন্ম! প্রেমের টানে ধর্ম পরিবর্তন, বাংলাদেশি তরুণীকে চীনা যুবকের বিয়ে জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্বে এবার পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বেলকুচিতে ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্টে -২০২৬ অনুষ্ঠিত দিনাজপুর বীরগঞ্জে থানা আকস্মিক পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার দিনাজপুর বীরগঞ্জে পৌরসভার মাদক ব্যবসায়ী মাসুদ পারভেজের ৬ মাস কারাদন্ড শেরপুরে আলোকবিন্দু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নয়া কমিটি গঠন করা হয় আমতলীতে ৪০০ ইয়াবা ও ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার, মা-ছেলে গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জ জেলা সার্ভেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের ১৯ সদস্যের কমিটি গঠন ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী,রাসিকের কর্মসূচির উদ্বোধন

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে কমিউনিটি ক্লিনিকে চরম অনিয়

মোঃ আশরাফুজ্জামান,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ / ৮ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে সেবার নামে চলছে চরম অনিয়ম ও অবহেলা। সরকার বিনামূল্যে ওষুধ দিলেও সেবা নিতে আসা রোগীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সময়মতো ক্লিনিক না খোলায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে যাচ্ছেন গ্রামের অসহায় মানুষ।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায়, সকাল ৯টায় ক্লিনিক খোলার কথা থাকলেও অধিকাংশ ক্লিনিক খোলে ১০টা-১১টার পর। কোনো কোনো দিন খোলেই না। সেবা নিতে আসা মাহমুদপুর, ফুকরা, রাতইল, সাজাইল, মহেশপুর, পারুলিয়া, রাজপাট, হাতিয়াড়া ও সিংগা ইউনিয়নের একাধিক ভুক্তভোগী জানান, জ্বর-সর্দি বা সাধারণ রোগের জন্য গেলে বিনামূল্যের ওষুধের জন্য ৫-১০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। টাকা না দিলে ওষুধ নেই বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

একজন সেবাগ্রহীতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গরীব মানুষ বলেই তো সরকারি ক্লিনিকে আসি। এখানেও যদি টাকা দিয়ে ওষুধ কিনতে হয়, তাহলে আমরা যাব কোথায়? আর ক্লিনিকে গিয়ে দেখি তালা ঝুলছে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদারকি না থাকায় এই অনিয়ম দিন দিন বাড়ছে। মাসের পর মাস কোনো মনিটরিং টিম মাঠে আসে না। ফলে CHCP-সহ দায়িত্বরতরা নিজেদের খেয়ালখুশি মতো ক্লিনিক চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা: মো: রাহাত হোসেন বলেন, রোগীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ টাকা নেওয়ার কোনো বিধান বা বাধ্যবাদকতা নেই। তবে কমিউনিটি ক্লিনিক সকাল ৯ টা থেকে ৩ পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে।CHCP-সহ দায়িত্বরতরা নিজেদের খেয়ালখুশি মতো ক্লিনিক পরিচালনা করার কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ ততক্ষণে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদারকি সর্বক্ষণ পরিচালিত হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে নজরদারি বাড়ানো হোক এবং বিনামূল্যের ওষুধের বিনিময়ে টাকা নেওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা