আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, আর্থিক খাতের মৌলিক সংস্কার ছাড়া কোনো কার্যকর বাজেট প্রণয়ন বা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আকারে বড় হলেও ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেট বাস্তবসম্মত হতে পারে না।
আসাদুজ্জামান বলেন, বাজেট প্রণয়ন ও রাজস্ব নীতিমালা নির্ধারণের সাংবিধানিক দায়িত্ব জাতীয় সংসদের হলেও বাস্তবে তা আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। বাজেট প্রক্রিয়াকে নির্বাহী বিভাগের পরিবর্তে সংসদকেন্দ্রিক করার দাবি জানান তিনি।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণকে ভর্তুকিনির্ভর বা কার্ডনির্ভর করার পরিবর্তে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন এবং উৎপাদনশীল অর্থনীতির বিকাশে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে তরুণ উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার এবং প্রথমবারের মতো ফ্ল্যাট বা প্লটের মালিকদের কর সুবিধা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিদ্যুতের বাড়তি দামের বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়ে এ খাতের কাঠামোগত সংস্কার এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে এ সময় মন্তব্য করেন পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, ক্যাপাসিটি চার্জ ও অস্বচ্ছ ভর্তুকি ব্যবস্থা এখনো বহাল রয়েছে।
মজিবুর রহমান বলেন, জনগণের স্বার্থে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে এবং অতীতের ভুল নীতির পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও লুটপাট বন্ধ করা কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়; রাজনৈতিক দল, প্রশাসন ও সমাজের সব অংশীজনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ সময় এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের বিষয়ে যেহেতু কিছু অভিযোগ উঠেছে, সরকারের উচিত হবে জেদাজেদির মধ্যে না গিয়ে গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, গণপরিবহনবিষয়ক সম্পাদক মতিয়ার রহমান, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সহসম্পাদক সুমাইয়া শারমিন ফারহানাসহ অনেকে।