• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

প্রথম নির্বাচনেই বড় চমক থালাপাতি বিজয়ের, তবু কি সরকার গঠন করতে পারবেন তিনি?

প্রতিবেদক / ২১ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

বিনোদন ডেস্কঃ

দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব অধ্যায়ের সূচনা করেছেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা থালাপাতি বিজয়। দীর্ঘদিনের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার পেছনে ফেলে প্রথমবারের মতো নির্বাচনী রাজনীতিতে অংশ নিয়েই তিনি দেখিয়েছেন চমকপ্রদ সাফল্য। তার নতুন রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) এবার এককভাবে বিধানসভায় সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় টিভিকে পেয়েছে ১০৭টি আসন। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। অর্থাৎ মাত্র ১১ আসনের ঘাটতিতে এখন থেমে আছে বিজয়ের দল। এই সামান্য ব্যবধানই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে অন্যান্য দলগুলোর সমর্থন। কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিআইএম এবং বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি—এই ছোট দলগুলো মিলিয়ে একটি বিকল্প সমীকরণ তৈরি হতে পারে, যারা একসময় ক্ষমতাসীন জোটের অংশ ছিল। তাদের অবস্থান পরিবর্তন হলে টিভিকে সহজেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে যেতে পারে।

অন্যদিকে পিএমকে দলের পাঁচটি আসনও সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এআইএডিএমকের সঙ্গে সরাসরি সমঝোতার সম্ভাবনা কম, কারণ বিজেপির সঙ্গে তাদের জোট এবং আদর্শগত দূরত্ব রয়েছে, যা বিজয়ের অবস্থানের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

দলের ভেতরের নেতারা আত্মবিশ্বাসী। তাদের দাবি, জনসমর্থনের ভিত্তিতে গঠিত এই নতুন রাজনৈতিক শক্তিকে বাইরের সমর্থন দিয়ে সরকারে নেওয়া সম্ভব। ইতিমধ্যে দলের একাধিক নেতা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, সরকার গঠন নিয়ে তারা আশাবাদী এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আসবে।

এই নির্বাচনে বিজয় শুধু নিজের দুটি আসনেই জয়ী হননি, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ঘাঁটিতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছেন। বিশেষ করে চেন্নাই অঞ্চলে তার দলের সাফল্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বিস্মিত করেছে।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—এই নাটকীয় সাফল্যকে কি বিজয় সরকার গঠনে রূপ দিতে পারবেন, নাকি সংখ্যার হিসাবেই থেমে যাবে তার প্রথম রাজনৈতিক যাত্রা। আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক আলোচনা ও সমীকরণই নির্ধারণ করবে তার ভবিষ্যৎ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা