• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

ইউনিক গ্রুপের নূর আলীর বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংসহ অনিয়মের মামলা, তদন্তে সিআইডি

প্রতিবেদক / ১৭ বার
আপডেট : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বনানীতে ডিএনসিসি নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ নূর আলী এবং তার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

শুক্রবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে ৭ মে বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয় বলে জানা গেছে।

সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছে, অনুমোদনহীন ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে প্রায় ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করে তা স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করেছে। এই অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চুক্তি অনুযায়ী বনানীর ওই প্রকল্পে ১৪ তলা ভবন নির্মাণের অনুমতি থাকলেও বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেড শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। পরে ওই ভবনে আন্তর্জাতিক মানের ফাইভ স্টার হোটেল ‘শেরাটন’ চালু করা হয়।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে (ডিএনসিসি) প্রাপ্য অংশ পরিশোধ না করে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানো হয়।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্রও নেওয়া হয়নি। এতে ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত চলাকালে বেদখলকৃত সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের পর মানিলন্ডারিংয়ের মোট অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করছে।

অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা