• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

ইরানের ইউরেনিয়াম ঘিরে ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি: ‘কেউ কাছে গেলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া’

প্রতিবেদক / ১৭ বার
আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুতকে কেন্দ্র করে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ধ্বংসস্তূপে থাকা ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের “কঠোর নজরদারিতে” রয়েছে এবং কেউ সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (১০ মে) প্রচারিত এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর অবশিষ্ট ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন নয়, কারণ পুরো এলাকা এখন মার্কিন সামরিক বাহিনীর নজরদারির আওতায় রয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা চাইলে যেকোনো সময় সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারি। পুরো বিষয়টি আমাদের পর্যবেক্ষণে আছে।” একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন স্পেস ফোর্স উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করছে।

আরও কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “কেউ যদি ওই স্থাপনার কাছে যায়, আমরা তা জানতে পারব এবং তাদের উড়িয়ে দেব।”

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্র বলছে, ইরানের কাছে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়াতে পারে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা থেকে বিরত রাখা। এ কারণেই ওয়াশিংটন ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে আগ্রহী।

এদিকে ট্রাম্প একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্ভাব্য কোনো চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে নেওয়া হতে পারে। তবে তেহরান এখনো এ ধরনের কোনো সমঝোতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও পরিস্থিতি যে কোনো সময় আরও জটিল রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা