• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন প্রক্রিয়া: আগে টাকা ফেরত পাবেন ক্ষুদ্র আমানতকারীরা

প্রতিবেদক / ৪৫ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশের ব্যাংক খাতের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বিগত বছরগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আলোচিত পি কে হালদারের মাধ্যমে অন্তত চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কাগুজে কোম্পানির নামে হাজার কোটি টাকা ঋণ তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঋণের বড় অংশ এখন খেলাপিতে পরিণত হওয়ায় সংকটে পড়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে গ্রাহকদের আমানতের অর্থ ফেরত দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠানকে।

এমন পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা না থাকায় পাঁচটি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— ফাস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের বিতরণ করা ঋণের ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট আমানতের পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ের আমানত রয়েছে প্রায় ২ হাজার ১১৮ কোটি টাকা।

অবসায়নের আগে গ্রাহকদের আমানতের অর্থ ফেরতের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ লক্ষ্যে প্রায় ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, অবসায়নের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত একটি স্কিম প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র আমানতকারীরা কীভাবে তাদের অর্থ ফেরত পাবেন এবং সেই অর্থের উৎস কী হবে— তা নিশ্চিত হওয়ার পরই আগামী জুলাই থেকে টাকা ফেরতের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ২০টি দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে। এর মধ্যে ৯টিকে অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে তিনটি এবং পরে আরও একটি প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সেসব প্রতিষ্ঠানকেও একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বিকল্প উপায় নিয়ে সরকারের সঙ্গে আরও আলোচনা হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা