আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের পর তেহরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলার জন্য আরব দেশগুলোকে একত্রিত করার চেষ্টা করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (সংযুক্ত আরব আমিরাত)। তবে সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের অনীহায় সেই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আরব রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে একটি সমন্বিত সামরিক অবস্থান গড়ার লক্ষ্যে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান একাধিক আঞ্চলিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এর মধ্যে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান-ও ছিলেন। তবে সৌদি আরবসহ বেশ কয়েকটি দেশ এ প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় আঞ্চলিক সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে আমিরাতের অবস্থান পরিবর্তনকেও গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক উদ্যোগে ভূমিকা না পাওয়ায় আমিরাত অসন্তুষ্ট ছিল। অন্যদিকে কাতারসহ কিছু দেশ পরবর্তীতে সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক সমাধানের দিকেই ঝুঁকে পড়ে। ব্লুমবার্গের দাবি অনুযায়ী, এই সম্ভাব্য সামরিক উদ্যোগ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনও অবগত ছিল এবং আমিরাত চেয়েছিল এতে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারকেও যুক্ত করা হোক।