• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

ধর্মীয় প্রভাব খাটিয়ে যৌন নিপীড়ন: লন্ডনে সাবেক ইমামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রতিবেদক / ১১ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

​আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকায় নারী ও শিশুদের ওপর দীর্ঘ ধারাবাহিক যৌন নির্যাতনের দায়ে আব্দুল হালিম খান (৫৪) নামে এক সাবেক ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) লন্ডনের স্নেয়ারসব্রুক ক্রাউন আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। সাজা অনুযায়ী, প্যারোলে মুক্তির আবেদনের আগে তাকে অন্তত ২০ বছর কারাগারে থাকতে হবে।

​আদালতের নথিপত্রে জানা যায়, ২০০৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে অন্তত সাতজন ভুক্তভোগীর ওপর পৈশাচিক নিপীড়ন চালিয়েছেন এই ব্যক্তি। আব্দুল হালিম খান ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস করাতেন যে তাদের ওপর ‘বদ জিনের’ আছর রয়েছে। ঝাড়ফুঁকের নামে তিনি তাদের নির্জন ফ্ল্যাট বা গাড়িতে নিয়ে যেতেন এবং জিনের আছর হওয়ার ভান করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন চালাতেন। এমনকি এক ভুক্তভোগীকে ক্যানসারের মিথ্যা ভয় দেখিয়েও তিনি লালসা চরিতার্থ করেন।

​মামলার বিচারক লেসলি কাথবার্ট রায়ে উল্লেখ করেন, আব্দুল হালিম পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় অবস্থান ও সামাজিক সম্মানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এই অপরাধগুলো করেছেন। তিনি জানতেন যে, তার অবস্থানের কারণে ভুক্তভোগীরা সহজে মুখ খুলতে সাহস পাবে না। ​গত ফেব্রুয়ারিতে আদালত তাকে মোট ২১টি গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, যৌন আক্রমণ এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ধর্ষণের অভিযোগ। ২০১৮ সালে প্রথম অভিযোগ পাওয়ার পর ব্রিটিশ পুলিশের বিশেষ শাখা ‘অপারেশন স্পেয়ারব্যাঙ্ক’ শিরোনামে এই তদন্ত শুরু করেছিল।

​এই চাঞ্চল্যকর রায়ের পর স্থানীয় টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকায় ধর্মীয় শিক্ষকদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর দাবি উঠেছে। স্থানীয় কাউন্সিল ও কমিউনিটি নেতারা এখন থেকে স্বতন্ত্র ধর্মীয় শিক্ষকদের জন্য বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও কঠোর চারিত্রিক সনদ যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা