• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ৮ জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবিতে আতঙ্ক

প্রতিবেদক / ২৭ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার পশ্চিম সুন্দরবন এলাকায় বনদস্যুদের তৎপরতা আবারও বেড়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন খাল ও নদী এলাকা থেকে অস্ত্রের মুখে আটজন জেলেকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় উপকূলীয় অঞ্চলের বনজীবীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে চুনকুড়ি নদীর শাখা খাল—সুবদেব খাল, গুবদেব খাল ও ধান্যখালীর চর এলাকা থেকে এই অপহরণগুলো সংঘটিত হয়।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, নানাভাই (ডন বাহিনী) এবং ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তারা অস্ত্রের মুখে জেলেদের ধরে নিয়ে গিয়ে পরে মুক্তিপণ দাবি করে। অপহৃতদের মধ্যে রয়েছেন শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নজরুল তরফদার (৪৫), আব্দুর রহমান (৩৫), আব্দুল হামিদ মোড়ল (৫০), আব্দুল আলিম গাজী (৪০), হাবিবুর রহমান (৪৮), আনোয়ারুল ইসলাম (৪২) এবং খুলনার কয়রা এলাকার আব্দুস সাত্তার ও শাহিনুর রহমান।

পরিবারের দাবি, প্রতিজন জেলের মুক্তির জন্য ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট নম্বরে টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বনজীবীরা জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় জেলে ও মৌয়ালদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছে। এমনকি মধু আহরণের মৌসুম শুরুর আগেও অগ্রিম চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

এর আগে চলতি মাসের ৪ ও ৫ মে একই ধরনের ঘটনায় ২০ জন জেলে ও মৌয়ালকে অপহরণ করা হয় বলে জানা যায়। পরে প্রায় ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে তাদের মুক্ত করা হয়েছিল। এ বিষয়ে কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মনিরুল করিম জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শ্যামনগর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, এখনো পর্যন্ত কোনো ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা