• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

রৌমারী সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবি–স্থানীয়দের যৌথ অবস্থানে পিছু হটল বিএসএফ

প্রতিবেদক / ৮ বার
আপডেট : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার একাধিক সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে কথিত পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় বাসিন্দারা। টানা প্রায় দুই দিন ধরে চলা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পর শেষ পর্যন্ত কোনো অনুপ্রবেশ ঘটাতে পারেনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

সোমবার (৮ জুন) বিকেল থেকে মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল পর্যন্ত উপজেলার ভুন্দুরচর, উত্তর বারবান্দা, বড়াইবাড়ী, ঝাউবাড়ী, বকবান্ধা ও খেওয়ারচর সীমান্ত এলাকায় ১০৬৫–১০৬৯ নম্বর মেইন পিলারের নো-ম্যান্স ল্যান্ড ঘিরে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।

স্থানীয় ও বিজিবি সূত্র জানায়, ভারতের অভ্যন্তর থেকে কিছু মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি জানার পরই বিজিবির পাশাপাশি শত শত স্থানীয় বাসিন্দা সীমান্তে অবস্থান নেন। সারারাত ধরে টর্চলাইট জ্বালিয়ে ও সতর্ক অবস্থান নিয়ে তারা যেকোনো অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেন। শেষ পর্যন্ত বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়।

এদিকে সীমান্ত এলাকার একাধিক সূত্র দাবি করেছে, ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাংলাভাষী মুসলিমসহ বিভিন্ন মানুষকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে আটক করে বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে, পরে তাদের সীমান্তে এনে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বড়াইবাড়ী এলাকার বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, “বিজিবির সঙ্গে আমরা রাত-দিন পাহারা দিচ্ছি। কোনোভাবেই কাউকে এপারে ঢুকতে দেওয়া হবে না।”
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তারা ব্যর্থ হয়েছে।

স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন বলেন, সীমান্তবাসীরা সতর্ক অবস্থানে আছেন এবং অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং বিজিবির পাশাপাশি আনসার ও গ্রাম পুলিশ দিয়ে যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. ইমাম হোসেন বলেন, “সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ প্রতিহত করা হচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা