• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

তামিলনাড়ুর নতুন মন্ত্রিসভায় মুসলিম প্রতিনিধি না থাকায় বিতর্ক, প্রশ্নের মুখে বিজয় সরকার

প্রতিবেদক / ৫৬ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

তামিলনাড়ুর সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য অর্জনের পর অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল সি. জোসেফ বিজয় নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ু ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) জোট ১০৮টি আসনে জয় লাভ করে সরকার গঠন করেছে। ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থনে আস্থা ভোটে জয়ী হয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও নতুন মন্ত্রিসভা গঠন ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু—দলে তিনজন মুসলিম বিধায়ক নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও প্রথম দফার মন্ত্রিসভায় কোনো মুসলিম প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত না করা। এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের রাজনৈতিক মহল ও সংখ্যালঘু নেতৃত্বের মধ্যে প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মণিথনেয় মাক্কাল কাচ্চি (এমএমকে)-এর বিধায়ক ও প্রবীণ রাজনীতিক এম. এইচ. জওহিরুল্লাহ। তিনি বিষয়টিকে “দুর্ভাগ্যজনক” বলে অভিহিত করে বলেন, তামিলনাড়ুর দীর্ঘ রাজনৈতিক ঐতিহ্যে মুসলিম প্রতিনিধিত্ব সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। অতীতের বিভিন্ন সরকারে মুসলিম মন্ত্রী থাকার নজির তুলে ধরে তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে সেই ধারার ব্যতিক্রম হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, টিভিকে জোটে তিনজন শক্তিশালী মুসলিম বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন, যারা গুরুত্বপূর্ণ আসনে বড় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন। এর পরও তাদের কাউকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত না করা জনআস্থা ও সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে সামনে এনেছে।
অন্যদিকে, সমালোচকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী বিজয় নিজেই বিধানসভায় “সংখ্যালঘু সরকার” শব্দটি ব্যবহার করলেও বাস্তবে প্রথম দফার মন্ত্রিসভায় সেই প্রতিফলন দেখা যায়নি, যা রাজনৈতিক দ্বৈততার ইঙ্গিত দেয়।

এদিকে টিভিকে-এর তিন মুসলিম বিধায়ক ছাড়াও জোটের অন্যান্য শরিক দল কংগ্রেস ও আইইউএমএল থেকে আরও কয়েকজন মুসলিম বিধায়ক রয়েছেন, যাদের অনুপস্থিতিও এই বিতর্ককে আরও জোরালো করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা কেবল মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয় নয়; বরং এটি তামিলনাড়ুর দীর্ঘদিনের অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব এবং ভবিষ্যৎ ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।
পরিস্থিতি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস করে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা