• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা তেহরানের, ‘যেকোনো আগ্রাসনের জবাব হবে ভয়াবহ’

প্রতিবেদক / ৩৬ বার
আপডেট : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

যেকোনো নতুন সামরিক আগ্রাসন বা উসকানিমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো নতুন অভিযান বা হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয়, তবে মার্কিন বাহিনীকে “ভয়াবহ ও বিধ্বংসী” প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফজল শেকারচি রোববার তেহরানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও হুমকিকে “বিভ্রান্তিকর” এবং “বাস্তবতাবিবর্জিত” বলে উল্লেখ করেন।

শেকারচি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার যেকোনো চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে। তার ভাষায়, “ওয়াশিংটন এবার এমন এক প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হবে, যা হবে সম্পূর্ণ নতুন ও অভাবনীয়।”

তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের ওপর হামলা চালানো হলে মার্কিন বাহিনী ও তাদের সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর কঠোর আঘাত হানা হবে। এ জন্য তেহরান প্রয়োজনীয় সামরিক প্রস্তুতি ও কৌশল আগে থেকেই তৈরি করে রেখেছে বলেও জানান তিনি।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সমালোচনা করে শেকারচি বলেন, “ওয়াশিংটনের ভুল সিদ্ধান্ত ও আগ্রাসী নীতি শেষ পর্যন্ত তাদের নিজেদের জন্যই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।”

দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে। পারমাণবিক কর্মসূচি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সামরিক উপস্থিতি এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বিরোধ আরও গভীর হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পারস্য উপসাগর, সিরিয়া, ইরাক ও লোহিত সাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একাধিক উত্তেজনাকর ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের সাম্প্রতিক এই হুঁশিয়ারি কেবল কূটনৈতিক বার্তাই নয়; বরং এটি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য ও সামরিক অবস্থানেরও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা