• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

দ্রুত গতিতে সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান

প্রতিবেদক / ৩৩ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার ক্ষতি কাটিয়ে দ্রুত গতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৮ এপ্রিল শুরু হওয়া ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগে তেহরান আবারও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি, ইরান যুদ্ধপূর্ব সামরিক সক্ষমতায় ফিরতে তাদের ধারণার চেয়েও দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করেছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইরান ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও উৎক্ষেপণযন্ত্র উদ্ধার করে পুনরায় সচল করছে। একই সঙ্গে মার্কিন ও ইসরাইলি হামলার পরও দেশটির প্রায় অর্ধেক ড্রোন এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অক্ষত রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের এই পুনর্গঠনে রাশিয়া ও চীনের সহায়তার অভিযোগ তুলেছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরপথে ড্রোনের যন্ত্রাংশ পাঠাচ্ছে এবং চীন ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল সরবরাহ করছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি শান্তি চুক্তিতে না আসে, তবে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় সামরিক হামলা চালাতে প্রস্তুত। তবে সামরিক পদক্ষেপের আগে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিতে চায় ওয়াশিংটন।

অন্যদিকে কংগ্রেসের জন্য প্রস্তুত করা কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে অন্তত ৪২টি মার্কিন সামরিক বিমান ধ্বংস অথবা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযানের ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র অত্যাধুনিক লেজার প্রযুক্তিসম্পন্ন দুটি যুদ্ধজাহাজও মোতায়েন করেছে। মার্কিন সামরিক সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ার জোন জানিয়েছে, ইউএসএস স্প্রুয়েন্স ও ইউএসএস জন ফিন নামের দুটি ডেস্ট্রয়ার বর্তমানে অঞ্চলটিতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এদিকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উত্তেজনা কমাতে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে অগ্রগতি আনতে বিশেষ বার্তা নিয়ে তেহরান সফর করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর দাবি, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার যোগাযোগে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে ইসলামাবাদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা