• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

তুলসি গ্যাবার্ডের পদত্যাগে তোলপাড় যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্প প্রশাসনে নতুন বিতর্ক

প্রতিবেদক / ৩৫ বার
আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড নাটকীয়ভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ায় ওয়াশিংটনে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি জানিয়েছেন, তার স্বামী আব্রাহাম উইলিয়ামস বিরল ধরনের হাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ায় পরিবারের পাশে থাকতে তিনি দায়িত্ব ছাড়ছেন।

তবে প্রশাসনিক মহল ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভিন্ন ব্যাখ্যাও সামনে আসছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধ ও নীতিগত দ্বন্দ্বের কারণেও তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

ফক্স নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ওভাল অফিসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সময়ই গ্যাবার্ড পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান। তার পদত্যাগ আগামী ৩০ জুন থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন অ্যারন লুকাস।

হোয়াইট হাউস অবশ্য দাবি করেছে, গ্যাবার্ড স্বামীর অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগ করেছেন। তবে রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, প্রশাসনের ভেতর থেকেই তার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং তাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান নীতি, গোয়েন্দা মূল্যায়ন এবং পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ট্রাম্প ও গ্যাবার্ডের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধ চলছিল। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তার অবস্থান হোয়াইট হাউসের সঙ্গে একমত ছিল না।

গ্যাবার্ডের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও অতীতে বিতর্ক ছিল। ডেমোক্র্যাট থেকে রিপাবলিকান শিবিরে যোগ দেওয়ার পর তিনি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হন। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তার ভূমিকা ও সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হয় বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়কারী শীর্ষ পদে তার দায়িত্বকালীন বিভিন্ন নীতি ও তদন্ত উদ্যোগ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ভোটিং সিস্টেম, কোভিড-১৯ উৎস এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত তদন্ত কার্যক্রম।

গ্যাবার্ডের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা