আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত ভোটিং মেশিন নিষিদ্ধ করার একটি বিতর্কিত চেষ্টা গত বছর প্রশাসনের ভেতরে আলোচনায় আসে, যা পরে ব্যর্থ হয়।
বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের এক শীর্ষ নির্বাচন-নিরাপত্তা কর্মকর্তা অর্ধেকের বেশি অঙ্গরাজ্যে ব্যবহৃত ভোটিং মেশিন নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেন। এ জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে মেশিনের যন্ত্রাংশকে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে ঘোষণা করা যায় কি না, তা যাচাই করা হয়।
পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেমসের মেশিন। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের ভেতরে কিছু কর্মকর্তা মেশিনভিত্তিক ভোটিং ব্যবস্থা বাতিল করে পুরোপুরি হাতে গণনা করা কাগুজে ব্যালট চালুর বিষয়েও আলোচনা করেন।
তবে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক অডিটযোগ্য ভোটিং মেশিনের তুলনায় হাতে ভোট গণনা কম নির্ভুল এবং বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।রয়টার্সের অনুসন্ধান অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই পরিকল্পনা আইনি ও নীতিগতভাবে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পর্যালোচনাও শুরু করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রমাণ ও আইনি ভিত্তির অভাবে পরিকল্পনাটি ভেস্তে যায়।
এদিকে প্রশাসনের কিছু অংশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা করছিলেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনী ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে থাকে।
রয়টার্স জানায়, সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা এখনো ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত ও ভোটিং যন্ত্রপাতি নিয়ে পর্যালোচনায় যুক্ত আছেন।