আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
বাংলাদেশের সম্ভাব্য চীন-পাকিস্তান যৌথভাবে তৈরি যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ ভারতের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই এ ধরনের সামরিক অগ্রগতি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক-৩ যুদ্ধবিমানের একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যকর সিমুলেটর হস্তান্তর করেছে পাকিস্তান। এই সিমুলেটরের মাধ্যমে পাইলটরা বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির অনুরূপ পরিবেশে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুদ্ধ কৌশল ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করেন।
চীনের চেংডু এয়ারক্রাফট করপোরেশন ও পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই যুদ্ধবিমান বর্তমানে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর অন্যতম প্রধান শক্তি। এছাড়া আজারবাইজান, মিয়ানমার ও নাইজেরিয়াতেও বিমানটি রফতানি করা হয়েছে।
পাকিস্তানি সামরিক সূত্রের দাবি, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসলামাবাদে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধানদের বৈঠকের পরই সিমুলেটর হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। ওই বৈঠকে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল বলেও জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ যদি শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পুরোনো রুশ নির্মিত মিগ-২৯ এবং চীনা নির্মিত এফ-৭ যুদ্ধবিমান ধীরে ধীরে প্রতিস্থাপিত হতে পারে।
সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।