• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

ছোট পারুলিয়ায় সরকারি রাস্তার ইট বিক্রি নিয়ে মেম্বার-ইঞ্জিনিয়ারের বক্তব্যে অসঙ্গতি!

প্রতিবেদক / ৭ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

মোঃ আশরাফুজ্জামান,কাশিয়ানী উপজেলা প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ২ নং পারুলিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে সরকারি টিআর প্রকল্পের রাস্তার ইট বিক্রি নিয়ে ইউপি সদস্য ও উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারের বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগ জানা যায় পারুলিয়া ইউনিয়নের ছোট পারুলিয়া গ্রামে ছোট পারুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে দক্ষিণ পাড়ার শেষ মাথা, গাজী বাড়ি পর্যন্ত সংস্কারকৃত ৪০০ ফুট রাস্তার পুরনো ইট তুলে বিক্রি করে দিয়েছেন ইউপি সদস্য।

অভিযুক্ত ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ লিয়াকত আলী ওরফে লিটু মেম্বার ইট বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, নির্মাণ কাজ শেষে রাস্তায় পড়ে থাকা ভাঙা ইট তিনি বিক্রি করেছেন। তার দাবি, “উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার স্যার আমাকে ইটগুলো বিক্রি করে দিতে বলেছেন।”

জানাযায়, ইটগুলো সাজাইল বাজারের মাঠে সেনেটারি সামগ্রী বিক্রেতা নান্নু মিয়া এবং স্থানীয় বাসিন্দা ফারুকের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আওয়াল হোসেন। তিনি বলেন, “নির্মাণ কাজ শেষে রাস্তায় কিছু ভাঙা ইট অবশিষ্ট ছিল। সেগুলো নিকটস্থ মসজিদে দান করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কখনোই কাউকে বিক্রি করার অনুমতি দেয়া হয়নি।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন জানান
টিআর প্রকল্পের নীতিমালা অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে অবশিষ্ট মালামাল ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি করার সুযোগ নেই। সরকারি বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে নিলাম বা যথাযথ প্রক্রিয়ায় তা নিষ্পত্তি করতে হয়।

পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি তখন জেল হাজতে ছিলাম ইন্ডিয়ান পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোহাম্মদ লিয়াকত হোসেন লিটু এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া জানান, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা