আবুল কালাম ফয়সাল,কাতার প্রতিনিধি:
কাতার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রিতে প্রথম স্থান অর্জনকারী চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান ড. হোছাইন মো. নাঈমুল হক এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম সমিতি কাতার।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) কাতারের আল থুমামা এলাকার দ্য অ্যাট্রিয়াম হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. হযরত আলী খান।
চট্টগ্রাম সমিতি কাতারের সভাপতি ইসমাঈল মুনসুরের সভাপতিত্বে এবং মহিউদ্দিন কাজলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাহাবুব আলম।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসাইনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি নেতা আবু সাঈদ, শরিফুল হক সাজু, সহ-সভাপতি মাওলানা জমির উদ্দীন, কাজী ফারুক পেয়ারু, আমির সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল রানা, প্রকৌশলী আমানত হোসেন এবং মো. ইমরান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মোরশেদ, নাজিম উদ্দীন ভূঁইয়া চৌধুরী, এরশাদুল আলম, নুর মোস্তফা, মাইনুল করিম, রুনা আক্তার, জিন্নাত আরা বেগম, যুগ্ম সম্পাদক মো. দিদারুল আলম,
ইকবাল হোসেন খোকন,নাছের সিদ্দিকী,জোহরা নুর রুমা,
অর্থ সম্পাদক মোঃ ইমরান,
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সায়িম
সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য
হাফেজ ওমর, আজগর আলী,ফারুক,নাজমুন নাহার
রিনা আকতার,
এনায়েত,মোঃ ইদ্রিস, শাহেদুর রহমান,মোঃসাইফুল্লা, এরশাদ,প্রকৌশলী সাজ্জাদ,
ইমরান খান,প্রকৌশলী মাহামুদ,রাশেদ মামুনসহ অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশী।
বক্তারা বলেন, প্রবাসে অবস্থান করেও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে দেশের সুনাম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উজ্জ্বল করছেন। তারা ড. হোছাইন মো. নাঈমুল হকের অসাধারণ কৃতিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নবীন গ্র্যাজুয়েটদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মো. হযরত আলী খান উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশি তরুণদের আরও এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রবাসে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সাফল্য দেশের জন্য গর্বের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পরে অতিথিদের চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানি খাবারের মাধ্যমে আপ্যায়ন করা হয়।
আলোচনা, সম্মাননা প্রদান ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।