• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

হাসপাতালে রোগীর মাকে ধর্ষণ: ৩ পরিচ্ছন্নতাকর্মী গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক / ২৩ বার
আপডেট : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই বছর বয়সী এক শিশুর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালের তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন— অমিত (২৩), অনিল (২৩), প্রাঙ্গন (২৪)।

এর আগে আজ সকালেই ভুক্তভোগীর স্বামীর লিখিত অভিযোগটি নাটোর সদর থানায় মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন ভুক্তভোগী নারীর দুই বছর বয়সী অসুস্থ কন্যাসন্তানকে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৭ জুন সকাল ১০টার দিকে শিশুর জন্য ওষুধ দেওয়ার কথা বলে হাসপাতালের স্টাফ পরিচয় দিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত ওই নারীকে ডেকে নিয়ে যান।

সন্তানকে রেখে ওই নারী অমিতের সাথে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় গেলে, সেখানে অনিল ও প্রাঙ্গনের সহায়তায় অমিত তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় অনিল ও প্রাঙ্গন পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

পরদিন ৮ জুন সকালে শিশুটির বাবা হাসপাতালে এসে স্ত্রী-সন্তানকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে নার্সদের থাকার একটি কক্ষ থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। সেখানেই ভুক্তভোগী নারী তার স্বামীর কাছে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলেন।

অসুস্থ শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে হাসপাতালের নার্স ও কর্মচারীরা তার মাকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে ষষ্ঠ তলার ঘটনাটি জানা যায়।

হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্য মো. সালাউদ্দিন জানান— নার্স ও ওয়ার্ডবয়দের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি এবং ছয়তলার সিঁড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়। প্রথমে অভিযুক্তরা অস্বীকার করলেও ভুক্তভোগী নারী চড়াও হলে তারা অপরাধ স্বীকার করে।

হাসপাতালের আনসার প্লাটুন কমান্ডার মো. মোন্নাফ হোসেন জানান, ঘটনার পর ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের বক্তব্য মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী জানান, অমিত তাকে ধর্ষণের পর বাকি দুজনও তার ওপর চড়াও হতে চেয়েছিল, কিন্তু হাসপাতালের লোকজন চলে আসায় তারা ব্যর্থ হয়।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর স্বামীর অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ডের পরপরই পুলিশ আসামিদের ধরতে অভিযানে নামে। দুপুরের মধ্যে তিন জনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা