• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা: মানবতা ও বিশ্বশান্তির বার্তা স্মরণ

প্রতিবেদক / ৫৫ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর–এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিশ্বকবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, বাংলা সাহিত্যের মহত্তম কণ্ঠস্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অম্লান অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। তিনি উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ ও মানবতাবাদের এক অনন্য সাধক, যার সাহিত্য ও সৃজনশীলতা বাংলা সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদার আসনে পৌঁছে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কবিতার পাশাপাশি সংগীত, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক ও চিত্রকলার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ মানুষের জীবনবোধ, প্রকৃতি, প্রেম ও মানবতার জয়গান গেয়েছেন, যা আজও আমাদের সাহিত্য ও চিন্তার জগতে অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে রবীন্দ্রনাথের আন্তর্জাতিকতাবাদী চিন্তা ও মঙ্গলভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁর দর্শন সবসময় বিশ্বমানবতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং জাতিতে জাতিতে সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছে।

জাতীয় জীবনে রবীন্দ্রনাথের অবদানের প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালেও তাঁর গান ও ভাবনা অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে। বিশেষ করে “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি”—এই গানটি আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত।
তিনি আরও স্মরণ করেন, ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন প্রথম এশীয়, যিনি বিশ্বসাহিত্যে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি লাভ করেন।

বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সহিংসতা, উগ্রবাদ ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রচিন্তা আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, শিক্ষার দর্শনেও রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দূরদর্শী—শিশু ও নতুন প্রজন্মের জন্য সুশিক্ষা, ব্যবহারিক জ্ঞান ও মুক্ত চিন্তার বিকাশে তিনি শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বলেন, রবীন্দ্রজয়ন্তীর এই আয়োজন যেন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়—এটাই তাঁর আন্তরিক প্রত্যাশা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনদর্শন, সাহিত্য ও মানবিক চিন্তা আজও বিশ্বজুড়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবতার প্রতীক হিসেবে গভীরভাবে সমাদৃত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা