• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে রাজারবাগে পুলিশ সমাবেশ ‘গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়’: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক / ১৮ বার
আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

১৯৭১ সালের মার্চে উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে দেশের পুলিশ সদস্যদের একত্রিত করে রাখার পেছনে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের কী কৌশল বা সিদ্ধান্ত কাজ করেছিল— সেই প্রশ্নকে মুক্তিযুদ্ধ গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এখনো বহু প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান চলছে। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে যখন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার সৈন্য ঢাকায় আনা হচ্ছিল এবং দেশের মানুষ স্বাধীনতার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠছিল, তখন সব পুলিশ সদস্যকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে একত্রিত রাখার সিদ্ধান্তের পেছনে কী ধরনের রাজনৈতিক বা কৌশলগত ভাবনা ছিল— তা গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানের বিষয় হতে পারে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রজন্ম থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মের মানুষ ইতিহাস, দলিল ও মুক্তিযোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা থেকে স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে জেনেছে। তবে এখনও কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলো নিয়ে আরও গভীর গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধে রাজারবাগ পুলিশের প্রতিরোধ এবং চট্টগ্রামে মেজর জিয়ার ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণা— এই দুটি ঘটনাই স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরও বেগবান ও অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছিল।

অনুষ্ঠানে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের বর্ণিল প্যারেড কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, আত্মমর্যাদা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। দেশের মানুষের জানমাল রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সক্ষমতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। দেশের মানুষ এখন শান্তি, নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রত্যাশা করে, আর সেই প্রত্যাশা পূরণে পুলিশের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। একইসঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যরা বিশ্বব্যাপী সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বিশেষভাবে নারী পুলিশ সদস্যদের অবদানের প্রশংসা করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের পেশাদারিত্ব ও মানবিক ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও পুলিশের মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য এবং সরকারি উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা