গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত লাশসহ দুটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার পৃথক দটি স্থান থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত ওই কলেজ ছাত্র রাসেল আহমেদ(৩১) টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হাদিরা গ্রামের শামিম মিয়ার ছেলে। সে উপজেলার ডাইনকিনি এলাকার ফরহাদ হোসেনের ভাড়া বাড়িতে ভাড়া থাকতো। নিহত রাসেল চন্দ্রা সরকারী কলেজের অর্নাস তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নত ছিলো।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানায় ১ বছর আগে এক প্রবাশী নারীকে ফোনে বিয়ে করে রাসেল। এদিকে বিয়ের পর তাকে বিদেশ নেয়ার কথা থাকলেও বিদেশ না নেয়ার কারনে কয়েকদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। এদিকে গত তিনদিন ধরে ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার সকালে ওই কক্ষ থেকে দূর্গন্ধ আসতে থাকলে অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা দরজার ফাক দিয়ে ওই কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানায়। এদিকে খবর পেয়ে দুপুরে কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ওই কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ বিনা ময়নাতদন্তে স্বজনদের কাছে হাস্তান্তর করে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
অরদিকে একই দিন ভোরে উপজেলার রতনপুর এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে পারভীন আক্তার(৩৫) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে মঙ্গলবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। ওই নারী রতনপুর এলাকার আবছার উদ্দিনের বাড়িতে বোনের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতো। পুলিশ জানায় সোমবার রাতের দেড়টার দিকে ঘরের ফ্যানের সাথে গলায় রশি পেচিয়ে আত্নহত্যা করে ওই নারী।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন পৃথকস্থান থেকে কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত লাশসহ এক নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ পৃথক ঘটনায় দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।