• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মির্জাপুরে রাতের আঁধারে নাগরপাড়া নদীতে অবৈধ ড্রেজারে বালু-মাটি উত্তোলন ভোক্তা-অধিকারের অভিযান খুলনায় ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার অপহরণের তিন দিন পর উদ্ধার রোহিঙ্গা শিশু রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের নতুন আমির মোহাম্মদ আলমগীর বরিশাল পোর্টরোডে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা,২৫ হাজার টাকা জরিমানা গোমস্তাপুরে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সার বিক্রির দায়ে সার ডিলারকে জরিমানা ও ম্যানেজারকে কারাদণ্ড রায়পুরে বিএনপি নেতাসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুনিতে আহত হামলাকারী আটক চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকার জাইকা অনুদান

শিবগঞ্জ ভূমি অফিসে ভুয়া রায় দিয়ে রেকর্ড সংশোধনের চেষ্টা

মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ / ১৭ বার
আপডেট : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ভূমি অফিসে আদালতের ভুয়া রায় ও ডিক্রির কপি দাখিল করে রেকর্ড সংশোধনের চেষ্টার অপরাধে মো. রফিকুল ইসলাম (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড ও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

আজ ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে সালমা রুমা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারәয় এই দণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম শিবগঞ্জ উপজেলার ধাইনগর ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামের আখতার উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার বিবরণ
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ ৩ নভেম্বর ভূমি অফিসে একটি বিবিধ কেসের শুনানির সময় বাদীপক্ষের লোকজন বিজ্ঞ আদালতের একটি রায় ও ডিক্রির আলোকে ১৪৩ ধারামতে রেকর্ড সংশোধনের আবেদন জানান। তবে দাখিলকৃত কাগজপত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণে সহকারী কমিশনারের কাছে রায় ও ডিক্রির ফটোকপিগুলো সন্দেহজনক মনে হয়। বিশেষ করে বিচারকের স্বাক্ষর নকল বলে প্রতীয়মান হলে মামলার বাদী মো. রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে, তার দাখিল করা রায় ও ডিক্রির কপিটি সঠিক নয়।

পরবর্তীতে মামলার বিবাদী পক্ষের দাখিল করা আদালতের আসল রায় ও ডিক্রি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিজ্ঞ আদালত মূল মামলাটি ডিসচার্জ (খারিজ) করেছিলেন। অথচ বাদী প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সম্পূর্ণ নিজের তৈরি একটি একতরফা ভুয়া রায়ের কপি প্রস্তুত করে তা আদালতের রায় বলে চালিয়ে দেন এবং রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করেন। শুনানિકালে দোষ স্বীকার করায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।

প্রশাসনের কঠোর বার্তা
রায় ঘোষণার পর ভূমি অফিসে উপস্থিত অন্যান্য সেবাগ্রহীতাদের সতর্ক করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা রুমা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কোনো অবস্থাতেই যেন কেউ ভুয়া বা নকল কাগজপত্র দিয়ে নামজারি কিংবা মিস কেসের আবেদন না করেন। এ ধরনের অনিয়ম ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ও নজরদারি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা রুমা গণমাধ্যমকে বলেন, ভূমি সেবা সহজীকরণ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ ধরনের অপরাধমূলক কাজের বিরুদ্ধে ভূমি অফিসের নিয়মিত অভিযান চলমান থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা