• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

ভালো নির্বাচনের স্থায়ী সংস্কৃতিতে রাজনৈতিক ঐকমত্য জরুরি : সিইসি

প্রতিবেদক / ৩৫ বার
আপডেট : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশে ধারাবাহিকভাবে সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।

তিনি বলেছেন, একটি নির্বাচন ভালো হলেই যথেষ্ট নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠাই নির্বাচন কমিশনের মূল লক্ষ্য। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে রক্তপাতহীন ও অংশগ্রহণমূলক করতে রাজনৈতিক দলগুলোকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন এন্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন সিইসি।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের মূল্যায়ন জনগণ, গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর ছেড়ে দিতে চান তিনি। নির্বাচন নিয়ে একপাক্ষিক প্রশংসা কিংবা সমালোচনার পরিবর্তে সব মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার মধ্যেই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের সময় কোনো রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব করেনি। আইন, বিবেক ও জবাবদিহিতার জায়গা থেকেই কমিশন কাজ করেছে। সিইসির ভাষায়, “আমাদের লক্ষ্য ছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।”

তিনি আরও জানান, আগের অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ স্বাধীনতা ও সহযোগিতা দিয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হয়নি। বরং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছিল।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে প্রার্থী ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। অতীতের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে প্রায়ই সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দক্ষ ও সচেতন করে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল, ভোটার, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সিইসি।

বক্তব্যে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন এন্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর ভূমিকাও তুলে ধরেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমের পাশাপাশি ছোট-বড় সব রাজনৈতিক দলের বক্তব্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত মতামত ও বিশ্লেষণ থেকেও নির্বাচন কমিশন উপকৃত হয়েছে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হেলাল হাফিজ, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি ফাহিম আহমেদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা