• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই, এনবিআর সংস্কারের পথে সরকার : অর্থমন্ত্রী

প্রতিবেদক / ৩৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশে রাজস্ব আদায়ের হার আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অত্যন্ত কম বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য রাজস্ব সংগ্রহের পরিধি বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

সোমবার শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কথা বলা হলেও বাস্তবে তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়েনি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, কর ব্যবস্থার বাইরে থাকা খাতগুলোকে এবার রাজস্ব কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে। এতে করদাতার সংখ্যা বাড়বে এবং বর্তমান সীমিত গোষ্ঠীর ওপর চাপ কমবে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, যত বেশি মানুষ কর নেটওয়ার্কে আসবে, তত বেশি রাজস্ব সংগ্রহ সম্ভব হবে, যা শেষ পর্যন্ত দেশের সাধারণ মানুষের জন্যই উপকার বয়ে আনবে।

তিনি বর্তমান সরকারকে একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অর্জিত সুফল এখন সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়েই কাজ চলছে।
অর্থনীতির ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিয়ে তিনি জানান, ধাপে ধাপে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট প্রণয়নও সেই বাস্তবতা মাথায় রেখে করা হয়েছে।

এছাড়া বিগত সময়ে কিছু প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হবে। পর্যালোচনার পর অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বাতিল এবং প্রয়োজনীয় প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা