• শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে ১ মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে হত্যা

প্রতিবেদক / ৫৮ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ ( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের কৃষ্ণনগর গ্রামে নাদিয়া আক্তার (ছদ্মনাম) নামে সপ্তম শ্রেণী ১ মাদ্রাসার ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে হত্যার গুঞ্জন। তবে এলাকাবাসীর ধারণা বাড়ির গৃহকর্ত্রী বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাদকাসক্ত কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্যরা তাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করে গলায় রশিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে। নিহত সাদিয়া আক্তার (ছদ্মনাম) কৃষ্ণনগর গ্রামের গোলাম রব্বানীর কন্যা। সে বালিয়াডাঙ্গা মাহমুদীয়া মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী। তবে লাশ উদ্ধারের সময় ঘরের মধ্যে ১ পুরিয়া গাজা,১ প্যাকেট শেখ সিগারেট ও ১ টি গ্যাস লাইট পাওয়াকে কেন্দ্র করে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করে গলায় রশি ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে পালিয়ে যেতে পারে এমন প্রশ্নের নানান গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে অন্য একটি পক্ষের দাবি বাড়িতে বাবা-মার অনুপস্থিতির সুযোগে প্রেমিক প্রেমিকা অসামাজিক কার্যকলাপরত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে মায়ের চোখে পড়লে প্রেমিক দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঐ সময় উপায়ান্তর না পেয়ে মেয়ে ঘরে দরজা দিয়ে গলায় রশি দিয়ে ঝুলে পড়ে। মাদ্রাসা ছাত্রীর মায়ের ভাষ্য সে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে বাড়িতে ফিরে খুজে না পেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশিতে ঝুলানো দেখে ডাক চিৎকার দিলে দ্রুত স্থানীয়রা এসে রশি থেকে নামিয়ে প্রথমে কৃষ্ণনগর বন্ধন হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে। ঐ সময় পুলিশে খবর দিলে শ্যামনগর থানার পুলিশ হাসপাতালে যেয়ে ঘটনাস্থান যেহেতু কালিগঞ্জ তখন লাশ কালিগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। খবর পেয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ জুয়েল হোসেন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ঘটনাস্থল স্থল থেকে আলামত গুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে আসেন। তবে এ পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করেনি বলে জানান। এ প্রসঙ্গে থানার অফিসার ইনচার্জ জুয়েল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবার এবং গ্রামবাসীর বক্তব্য শুনেছি। ঘটনাস্থলে পাওয়া আলামত গুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে অপরাধী যেই হোক কোন অবস্থাতেই ছাড়া পাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা