• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

বেইজিং-মস্কো সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়,বললেন পুতিন

প্রতিবেদক / ৩৩ বার
আপডেট : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

রাশিয়া ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক এখন “অভূতপূর্ব পর্যায়ে” পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীন সফরের প্রাক্কালে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
বেইজিং ও মস্কো নিশ্চিত করেছে, মঙ্গলবার ও বুধবার চীন সফর করবেন পুতিন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের মাত্র কয়েকদিন পরই এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক কূটনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে নতুনভাবে সামনে এনেছে।

ভিডিও বার্তায় পুতিন বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাঁর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং তাঁর আমন্ত্রণে আবারও বেইজিং সফর করতে পেরে তিনি আনন্দিত। তিনি বলেন, রাশিয়া-চীন সম্পর্ক এখন পারস্পরিক আস্থা, বোঝাপড়া ও ন্যায্য সহযোগিতার ভিত্তিতে আরও শক্তিশালী হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক আধিপত্য নিয়ে প্রশ্ন বাড়তে থাকায় বিশ্ব রাজনীতিতে চীনের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করাকে এখন অনেক দেশ কৌশলগত প্রয়োজন হিসেবে দেখছে।

পুতিন জানান, রাশিয়া ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ইতোমধ্যে ২০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে। দুই দেশের লেনদেন এখন প্রায় পুরোপুরি রুবল ও ইউয়ানে সম্পন্ন হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও ইউরেশীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইউক্রেন পরিস্থিতিও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামরিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা ও বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে মস্কো ও বেইজিংয়ের সম্পর্ক গত এক দশকে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। একই সঙ্গে বিকল্প আর্থিক ব্যবস্থা ও স্থানীয় মুদ্রাভিত্তিক বাণিজ্যের দিকেও ঝুঁকছে দুই দেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা