• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

এবার আসছে ‘ফ্যামিলি ট্রি’, এক কার্ডেই মিলবে সব সুবিধা

প্রতিবেদক / ২৫ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আমূল পরিবর্তন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার সমন্বিত ‘ফ্যামিলি ট্রি’ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদি নেটওয়ার্কিং সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সব ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা হবে। ফলে একই ব্যক্তি বা পরিবারে ভিন্ন ভিন্ন ভাতা পাওয়ার দ্বৈততা বা ‘ডাবল বুকিং’ পুরোপুরি বন্ধ হবে।

সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সরকারের এই নতুন পরিকল্পনা ও ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য জানান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জানান, ইউরোপ বা আমেরিকার আদলে বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘সোশ্যাল কার্ড’ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এই প্রস্তাবিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্যামিলি ট্রি’ বা পারিবারিক তথ্যভান্ডার। এটি চালু হলে একটি একক ডিজিটাল আইডির অধীনে জানা যাবে কোন পরিবার রাষ্ট্র থেকে কী কী সুবিধা পাচ্ছে। মাত্র একটি কার্ড ও কিউআর কোডের মাধ্যমেই প্রান্তিক মানুষ সব ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা সেবা পাবে।

আগামী জুনের মধ্যে ৮০ হাজার মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। প্রতি পর্যায় বা ফেজ ধরে এই কর্মসূচি গ্র্যাজুয়ালি অগ্রসর হচ্ছে এবং জুনের মধ্যে এর পাইলটিং কার্যক্রম শেষ হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের ছোটখাটো ভুলত্রুটি চিহ্নিত করে সেগুলোর স্থায়ী সমাধানের জন্যই এই পাইলটিং করা হচ্ছে।

নতুন এই ফ্যামিলি কার্ডের মাসিক ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে ডাবল বুকিং বন্ধের নিয়ম অনুযায়ী, যারা বর্তমানে ৫০০ বা ১০০০ টাকার বয়স্ক বা বিধবা ভাতা পাচ্ছেন, তারা নতুন এই কার্ড নিতে চাইলে আগের কম অঙ্কের ভাতাটি সারেন্ডার বা ত্যাগ করতে হবে। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড ও হেলথ কার্ডসহ সব সামাজিক নিরাপত্তা কার্ডকে একীভূত করতে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

সঠিক ব্যক্তির হাতে টাকা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে প্রতিদিন ডেটা ফাইন্ডিং করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৬ মে চাঁদপুর থেকে এই কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী জুনে তৃতীয় ধাপে আরও ১৮টি উপজেলায় এ কর্মসূচি শুরু করা হবে। সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক উপায়ে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ বা পিএমটি মেথডে স্কোরিংয়ের মাধ্যমে এই কার্ডের জন্য যোগ্য ও অতিদরিদ্র পরিবারগুলো নির্বাচন করা হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কিছু বিচ্ছিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ফারজানা শারমীন বলেন, সরকার ও উপকারভোগীর মাঝখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী সহ্য করা হবে না। যেখানেই অনিয়ম বা কার্ডের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, দ্রুত সেখানে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল রয়েছি।

সূত্র: বাসস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা