• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

দ্রুত অগ্রগতির ইঙ্গিত: শতদিনে দুইশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকার

প্রতিবেদক / ২৯ বার
আপডেট : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম একশ’ দিনে প্রায় দুইশ’টি উদ্যোগ ও প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারি একটি প্রকাশনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি ই-বুকের বরাতে জানানো হয়, এই সময়ের মধ্যে নেওয়া উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে জনজীবন ও সমাজে ইতোমধ্যে দৃশ্যমান প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এতে দেশজুড়ে উন্নয়ন ও পরিবর্তনের একটি ইতিবাচক বার্তা তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

ই-বুকে বলা হয়, নির্বাচনের পর নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিন ছিল মূলত দিকনির্ধারণ, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের একটি সময়কাল। অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার মধ্যেও সরকার দ্রুত কিছু জনমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে।

এই সময়ের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ উদ্যোগ, ক্রীড়া কার্ড, ই-হেলথ কার্ড, ডিজিটাল ভূমিসেবা, ই-বেইলবন্ড ব্যবস্থা, খাল পুনঃখনন কার্যক্রম, এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের আর্থিক সম্মানী প্রদানের মতো সামাজিক সহায়তামূলক প্রকল্প। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা ও যুব উন্নয়নমূলক নতুন কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন ও কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সেবা সহজীকরণ, মাঠপর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধান এবং সরকারি ব্যয়ে সংযমের মতো নীতিগত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে ই-বুকে উল্লেখ করা হয়।

তবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। এসব বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা আনার চেষ্টা চলছে বলে জানানো হয়।

প্রকাশনায় আরও বলা হয়, সরকারের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী করা। যদিও অনেক কর্মসূচি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে এগুলো ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি আনা হয়েছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা