বেসরকারি একটি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুদকের তথ্য অনুযায়ী, হারুন অর রশিদ রাজধানীর বনানী ও উত্তরাসহ বিভিন্ন অভিজাত ক্লাবের সদস্য ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে এসব ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ করেন। এছাড়া প্রভাব খাটিয়ে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সদস্যপদ নেওয়ার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।
দুদক বর্তমানে হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার তদন্ত করছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ যেন হস্তান্তর, বিক্রি বা গোপন করা না যায়, সে জন্য আদালতের কাছে সম্পদ জব্দ ও ফ্রিজ করার আবেদন করা হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
এদিকে, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এনএইচ স্পিনিং মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল হোসেনকে আগামী ১৪ জুন দুদকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, দুদকের মামলার আসামি সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নূর মোহাম্মদের সম্পদের মূল্য নির্ধারণে গণপূর্ত অধিদপ্তর একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে।
দুদক জানিয়েছে, আলোচিত এসব মামলার তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।