জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে দেওয়া তার সমাপনী বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, সৌদি আরবের কাছে যখন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তখন ইরানকে তা থেকে বঞ্চিত করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘আমরা উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সমান্তরাল একটি প্রচেষ্টার ওপর কাজ করব, যাতে পারমাণবিক বিষয়ের বাইরে প্রচলিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সমর্থনসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ বলেছিল, ‘আপনার উচিত নয় তাদের একটি ক্ষেপণাস্ত্রও রাখতে দেওয়া।’ আমি এদের কিছু মানুষকে পছন্দ করি, কিন্তু আমি মনে করি না তারা খুব বুদ্ধিমান। ট্রাম্প বলেন, তারা আমাকে বলেছিল, ‘স্যার, তাদের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র রাখতে দেওয়া উচিত নয়।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তাহলে আমি কী করব? সৌদি আরবকে ক্ষেপণাস্ত্র রাখতে দেব, কিন্তু ইরানকে দেব না? তারা বলল, ‘হ্যাঁ, স্যার।’
তখনও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছিল যে, তারা তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে কখনো আলোচনার টেবিলে আনবে না। এর কয়েক বছর পর এবং ইরানের বিরুদ্ধে দুটি যুদ্ধ করার পর ট্রাম্প এখন প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে, তিনি কেবল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু অংশ সীমিত করার লক্ষ্যেই কাজ করছেন।