• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মঙ্গলবার টানা ১৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় এআই নিয়ে ভয়াবহ শঙ্কা, মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ নিয়েও বড় প্রশ্ন! সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর পিরোজপুরে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী, পুরস্কার পেল বিজয়ীরা মান্দায় অভিযানে ২১০৫ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ ধ্বংস, গ্রেপ্তার ১ বাংলাদেশের বাজারে ভারতের ইলিশ, আসল রহস্য কী? ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৮ জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আরও ৬ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার টাঙ্গাইলের কালিহাতীত কেন্দ্রীয় সাধুসংঘ সাংস্কৃতিক জোটে “লালন সংগীত সন্ধ্যা “অনুষ্ঠিত

সমাজ ও মানুষের দায়বোধ থেকেই লিখেছেন শওকত ওসমান: হাসনাত আবদুল হাই

প্রতিবেদক / ১৩৬ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাশিল্পী শওকত ওসমান জনপ্রিয়তার মোহে নয়, বরং সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই লেখালেখি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট লেখক হাসনাত আবদুল হাই।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র-এর মিলনায়তনে শওকত ওসমানের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ড. সুকোমল বড়ুয়া। সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসনাত আবদুল হাই।
সভায় হাসনাত আবদুল হাই বলেন, শওকত ওসমান কখনো নিছক জনপ্রিয়তা বা বিনোদনের জন্য লেখেননি। সমাজের শোষণ, অনাচার ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনসংগ্রাম তার সাহিত্যে গভীরভাবে উঠে এসেছে। তিনি বলেন, শওকত ওসমানের সাহিত্য ও জীবনবোধ জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ।
তিনি আরও বলেন, লেখক জীবনের শুরু থেকেই শওকত ওসমানের মধ্যে সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ছিল। তার সাহিত্যকর্মে সেই দায়বদ্ধতারই প্রতিফলন ঘটেছে। পরবর্তী প্রজন্মের লেখকরাও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার সৃজনশীলতার প্রভাব বহন করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় ড. সুকোমল বড়ুয়া বলেন, শওকত ওসমান তার লেখার মাধ্যমে মানুষের বিবেক, মানবিকতা ও আত্মশক্তিকে জাগ্রত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি মূল্যবোধনির্ভর সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানবিক মহিমার জয়গান গেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন। শওকত ওসমানকে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী সাহিত্যিক’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, তিনি কোনো দল বা সরকারের নন; নিজের সৃষ্টিশীলতা ও মননের শক্তিতেই তিনি সব সীমা অতিক্রম করেছেন। তাই জাতীয় পর্যায়ে তাকে আরও গভীরভাবে স্মরণ করা উচিত।

সভায় ড. দীপু সিদ্দিকী বলেন, শওকত ওসমান ছিলেন একজন মানবতাবাদী মানুষ। তার সাহিত্যদর্শন ও নৈতিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও সংস্কৃতিজনরা। এ সময় প্রদর্শিত হয় শওকত ওসমানকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে শওকত ওসমান’। উল্লেখ্য, ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন শওকত ওসমান। ১৯৯৮ সালের ১৪ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। উপন্যাস, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, শিশুসাহিত্য ও স্মৃতিচারণাসহ বাংলা সাহিত্যে তার অবদান ব্যাপক ও বহুমাত্রিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা