হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে ভবনটি থেকে অনিক দত্ত পরে যান, সেই ভবনের ছাদ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। নোটটি অনীকের হাতের লেখা কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তার মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্তও শুরু হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয় সেখানে নাকি লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’। এর থেকে প্রশ্ন উঠছে নিজেকে শেষ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন নিল পরিচালক? কী কারণে এই সিদ্ধান্ত তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এই নির্মাতা। এমনকি যে হাসপাতালে তাকে নেয়া হয় সেখানেই নাকি মানসিক অবসাদের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। বুধবার সকালে অনিক দত্ত তার স্ত্রীর ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন। যদিও বেশ কয়েক বছর ধরে তারা আলাদা থাকতেন। ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার পর তার স্ত্রী সন্ধি দত্তই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালে নেয়ার সময় অনীকের মাথায় গুরুতর আঘাত ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছিল বলে জানা গেছে। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে নেয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের একমাত্র মেয়ে মুম্বইয়ে থাকেন। তিনি কলকাতার ফেরার পর ময়নাতদন্তের পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।