• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাসিকের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফগার স্প্রে কার্যক্রম শুরু চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুরে ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১ চতুর্থ বারের মতো সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি রতন শেখ,শ্রেষ্ঠ এসআই জহির হোসেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের দাবির মুখে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ২৮ ঘন্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার মেসি ফিরলেন, গোল করলেন, রেকর্ড ভেঙে দিলেন নতুন বার্তা এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু

কৃষিতে গতি ফেরাতে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন

প্রতিবেদক / ৩ বার
আপডেট : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চারের লক্ষ্যে ১০ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত এই পাঁচ বছর মেয়াদি তহবিল থেকে কৃষকেরা সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সরল সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।

সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়। এতে বলা হয়, দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণ, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রান্তিক কৃষকের কাছে ঋণ সুবিধা সহজলভ্য করতে খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ ঋণসীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা, শস্য ও ফসল উৎপাদনে ৩০ লাখ টাকা, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ২০ লাখ টাকা এবং পল্লী ও অন্যান্য আয়বর্ধক খাতে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে।

এই স্কিমের আওতায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবে এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সরল সুদে ঋণ বিতরণ করতে পারবে। শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রেও মুনাফার হার ৮ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

তহবিল থেকে শস্য উৎপাদন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়সহ গ্রামীণ আয়বর্ধক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ঋণ দেওয়া হবে। তবে কোনো খেলাপি ঋণগ্রহীতা এই সুবিধার আওতায় আসতে পারবেন না। একজন কৃষক সর্বোচ্চ তিনবার পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।

ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষিদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে, যেখানে শুধুমাত্র ফসল দায়বদ্ধতা হিসেবে বিবেচিত হবে। নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য প্রচলিত জমির দলিলের পরিবর্তে বিকল্প সামাজিক বা দলগত জামানতের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৮ মাস নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। তবে এই তহবিলের অর্থ পূর্ববর্তী কোনো ঋণ সমন্বয়ের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
কোনো ব্যাংক যদি এই তহবিলের অপব্যবহার করে বা নির্ধারিত ৮ শতাংশের বেশি সুদ আদায় করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওপর ২ শতাংশ অতিরিক্ত জরিমানা আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এই সুবিধা নিতে আগ্রহী ব্যাংকগুলোকে আগামী এক মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ–২ এর সঙ্গে অংশগ্রহণ চুক্তি সম্পাদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা