তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে অনুষ্ঠেয় সরাসরি আলোচনার মানে শত্রুর অবস্থান মেনে নেয়া নয়। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের স্বাক্ষরের প্রতি তিনি সমর্থন ব্যক্ত করেন, কারণ তিনি দেশটির নিরাপত্তা প্রধান। ইরানের প্রাণবন্ত ও বিশ্বস্ত জনগণ,যেমনটি আপনারা অবগত হয়েছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই পর্যায়ে পৌঁছানোর পথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতাশা থেকে বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগের উপায় অবলম্বন করেছেন।
তিনি (ইরানের প্রেসিডেন্ট) আরও স্পষ্ট করেছেন যে, যদি আমেরিকা অতিরিক্ত দাবি বা বাড়াবাড়ি করে, তবে তা গ্রহণ করা হবে না। এখন থেকে আমরা অর্থাৎ ইরানের গর্বিত জনগণ এবং এই নগণ্য সেবক সমঝোতা স্মারকে উল্লিখিত শর্তগুলো বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকব।
তবে এটি স্পষ্ট, ভবিষ্যতে অনুষ্ঠেয় সরাসরি আলোচনার মানে এটা নয় যে, শত্রুর মতামত মেনে নেয়া হবে। আশা করি আমাদের নেতা (আল্লাহ তাঁর মহিমান্বিত আগমন ত্বরান্বিত করুন)-এর দোয়া ও আশীর্বাদ ইরানের সম্মানিত জাতির জন্য নানা ধরণের বিজয় ও সফলতা বয়ে আনবে।