• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মঙ্গলবার টানা ১৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় এআই নিয়ে ভয়াবহ শঙ্কা, মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ নিয়েও বড় প্রশ্ন! সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর পিরোজপুরে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী, পুরস্কার পেল বিজয়ীরা মান্দায় অভিযানে ২১০৫ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ ধ্বংস, গ্রেপ্তার ১ বাংলাদেশের বাজারে ভারতের ইলিশ, আসল রহস্য কী? ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৮ জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আরও ৬ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার টাঙ্গাইলের কালিহাতীত কেন্দ্রীয় সাধুসংঘ সাংস্কৃতিক জোটে “লালন সংগীত সন্ধ্যা “অনুষ্ঠিত

৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ

প্রতিবেদক / ৪৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

প্রায় চার বছর পর আবারও ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে উঠেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

সোমবার (২৯ জুন) দিন শেষে রিজার্ভ উঠেছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৪৮০ বিলিয়ন (৩২,৪৭৯.৮৮ মিলিয়ন) ডলার। দীর্ঘ দিন পর গত বুধবার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছিল।

এর আগে, সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সেখান থেকে কমতে–কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ পতনের সময় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমে যায়।গত ১৪ জুন এডিবির ১০০ কোটি ডলার ঋণ যোগ হওয়ার পর ৩১ বিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছিল। আইএমএফের ঋণের শর্ত মেনে ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসেবে ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সেখান থেকে দ্রুত কমতে থাকে। একই সাথে ওই সময়ে ৮৪ টাকা থেকে প্রতি ডলারের দর বেড়ে উঠে যায় ১২০ টাকায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নামে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা