এর আগে ইরাকের কুর্দি প্রধানমন্ত্রী মাসরুর বারজানি জানান, অঞ্চলটির সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের তদন্তে দেখা গেছে, ‘তার ব্যক্তিগত কার্যালয় এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাড়ি ইরানি ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।’
হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই সোমবার বলেন, জুনের সমঝোতা স্মারকে আলোচনার জন্য নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা ‘অপ্রাসঙ্গিক’। কারণ যুক্তরাষ্ট্র শুরুতেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো আলোচনা শুরু করিনি। কারণ চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক সপ্তাহ পরই ব্যাপকভাবে চুক্তি লঙ্ঘন শুরু হয়। ফলে ৬০ দিনের বিধানটি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।’
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সোমবার জানায়, সৌদি আরবের নৌ অবরোধের অংশ হিসেবে তারা লোহিত সাগরে সৌদি আরবের একটি সামরিক জাহাজ ও তার সঙ্গে থাকা চারটি নৌযানকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
ইরান-সমর্থিত হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মোখা উপকূলের কাছে লোহিত সাগরে সৌদি শত্রুর একটি সামরিক অবতরণকারী জাহাজ এবং তার সঙ্গে থাকা চারটি সামরিক টহল নৌযানকে লক্ষ্য করে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে।’
২০১৫ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব হস্তক্ষেপ করার পর থেকে হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের যুদ্ধ চলছে। তবে ২০২২ সাল থেকে সেখানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ছিল। গত মাসে তা ভেঙে পড়ে। এর পর ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
ইয়েমেনে সংঘাত বাড়তে থাকায় বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে সোমবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান।
ভলকার তুর্ক বলেন, ‘আমি সব পক্ষকে উত্তেজনা কমানোর এবং ইয়েমেনের জনগণকে আরও দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানাই। বছরের পর বছর ধরে সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি ও মানবিক সংকটের ভয়াবহ উত্তরাধিকার ইয়েমেনের মানুষ ইতোমধ্যেই অনেক বেশি সহ্য করেছে।