• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার ১৩ বছরের ছেলে নিখোঁজ মতলবে নিখোঁজের চারদিন পর বৃদ্ধার ভাসমান লাশ উদ্ধার টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার প্রায় ৭ কোটির প্রকল্পে স্থবিরতার পাহাড়/ চরম অবহেলা নাকি ফান্ডের মারপ্যাঁচ? কুমিল্লায় পর্নোগ্রাফি মামলার এজাহার নামীয় আসামি আটক “তারিনপুর বৈদ্যুতিক গোলযোগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: সর্বস্বান্ত সোনাজুলের পরিবার।” তেহরানে ‘ইরানের জন্য আত্মত্যাগ’ শোভাযাত্রায় লাখো মানুষের ঢল রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫১৫ বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নাহিদ ইসলামের ছয় দফা থেকে আট দফা-জামায়াতের দাবি পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের

“তারিনপুর বৈদ্যুতিক গোলযোগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: সর্বস্বান্ত সোনাজুলের পরিবার।”

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতনিধি / ০ বার
আপডেট : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের তারিনপুর গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সংঘটিত এক আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে একটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র, ফ্রিজ, মূল্যবান পোশাক এবং খাদ্যসামগ্রী পুড়ে ভস্মীভূত হয়। সৌভাগ্যক্রমে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

​সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আজ শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২:০০ টার দিকে তারিনপুর গ্রামের সোনাজুলের বাড়িতে হঠাৎ করেই বৈদ্যুতিক তারের গোলযোগ দেখা দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই স্ফুলিঙ্গ থেকে আগুন ঘরের মধ্যে থাকা দাহ্য পদার্থে ছড়িয়ে পড়ে এবং দাবানলের মতো পুরো ঘরে তাণ্ডব চালায়। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন ও চারপাশের উত্তাপ টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ও প্রতিবেশীরা আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন।

​আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। তবে সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে এলাকার যুবকরা ও প্রতিবেশীরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তারা বালতি ও পাম্পের সাহায্যে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণের সর্বাত্মক চেষ্টা চালান। দীর্ঘ সময়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা পায় এবং নিয়ন্ত্রণে আসে।

​এদিকে খবর পাওয়ার পরপরই দর্শনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় এবং পুরোপুরি আগুন নির্বাপণ ও শীতলীকরণ (কুলিং ডাউন) কাজ সম্পন্ন করে। ততক্ষণে অবশ্য ঘরের ভেতরে থাকা যাবতীয় জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

​ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান সোনাজুল জানান, আগুনের লেলিহান শিখায় তাদের ঘরের ফ্রিজ, মৌসুমী খাদ্যসামগ্রী, নগদ টাকা, পড়নের কাপড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রাতের আধারে এমন আকস্মিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পরিবারটি বর্তমানে সম্পূর্ণ খোলা আকাশের নিচে দিন কাটানোর উপক্রম হয়েছে।

​প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক ত্রুটির (শর্টসার্কিট) কারণেই এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারি ও বেসরকারিভাবে জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা